নোয়াখালীতে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জবাইয়ের চেষ্টা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় সালেহ আহমেদ (৫০) নামের এক ব্যক্তিকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে জবাই করে হত্যার চেষ্টা করা হয়েছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল করিম দোলন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এর আগে রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টা থেকে দেড়টার মধ্যে সোনাইমুড়ী পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বরলা উত্তরপাড়া এলাকার ভূঁইয়া বাড়িতে এ নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত সালেহ আহমেদ ওই এলাকার মৃত ছেরাজুল হকের ছেলে। তিনি পেশায় স্থানীয় একটি স-মিলের মিস্ত্রি।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে নিজ ঘরে ঘুমিয়ে ছিলেন সালেহ আহমেদ। এ সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্ত ঘরে ঢুকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তার গলায় আঘাত করে পালিয়ে যায়। এতে তার গলায় মারাত্মক জখম হয়। পরিবারের সদস্যরা রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে সোনাইমুড়ী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকরা তাকে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠান। পরবর্তীতে সেখান থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়।
নিহতের পরিবারের দাবি, রাতে এক চোর ঘরে ঢুকে তাকে জবাই করে হত্যার চেষ্টা চালায়। তবে তল্লাশি করে দেখা গেছে ঘর থেকে কোনো মালামাল খোয়া যায়নি। ফলে এটি সাধারণ চুরি নাকি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড, তা নিয়ে স্থানীয়দের ও পুলিশের মনে গভীর সন্দেহের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আরিফুল করিম দোলন জানান, তিনি জেলা শহর মাইজদীতে দাপ্তরিক কাজে ছিলেন এবং খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে রওনা হয়েছেন। ঘটনাস্থল সরজমিনে পরিদর্শন ও তদন্ত শেষে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।