
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ডা. কে এম বাবর বলেছেন, “স্বতন্ত্র প্রার্থীরা মূলত ব্যবসায়ী, তারা ঢাকায় থাকেন। কিন্তু আমি গোপালগঞ্জের সন্তান। আমি আপনাদের নেতা নয়, বরং সেবক এবং ‘সিকিউরিটি ম্যান’ হয়ে আজীবন পাশে থাকতে চাই।”
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেল ৫টায় কাশিয়ানী উপজেলার ৭ নং ফুকরা ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এক দোয়া মাহফিল ও নির্বাচনী সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
ডা. কে এম বাবর তাঁর বক্তব্যে স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণের আশ্বাস দিয়ে বলেন, কাশিয়ানী উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন নিয়ে একটি নতুন উপজেলা গঠন করা হবে। এছাড়া তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, ১লা এপ্রিলের মধ্যে ঢাকা-গোপালগঞ্জ সরাসরি রেল যাতায়াত ব্যবস্থা চালু করা হবে।
স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়ন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচিত হওয়ার তিন মাসের মধ্যে স্থানীয় হাসপাতালের অব্যবস্থাপনা দূর করে উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে, যাতে সাধারণ মানুষকে আর ভোগান্তি পোহাতে না হয়।”
নিরীহ মানুষকে মামলা ও হামলা থেকে রক্ষার অঙ্গীকার করে ডা. বাবর বলেন, অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনাবেচার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। তিনি দল-মত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে জয় নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি হাফিজুর রহমান, কাশিয়ানী উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সেলিম শেখ, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান হাফিজ এবং পৌর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সাজিদ খানসহ অসংখ্য নেতাকর্মী ও স্থানীয় জনতা।
আলোচনা শেষে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।