জালনোটের প্রচলন প্রতিরোধ ও সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঝালকাঠিতে জনসচেতনতামূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের উদ্যোগে শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল ১০টায় শহরের একটি কমিউনিটি সেন্টারে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশাল শাখার আয়োজনে এবং ঝালকাঠি সদর উপজেলায় কার্যরত সব ব্যাংকের সহযোগিতায় কর্মশালাটি অনুষ্ঠিত হয়। এতে লিড ব্যাংক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র ঝালকাঠি কোর্ট বিল্ডিং শাখা।
কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশাল শাখার পরিচালক মো. এমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশাল শাখার অতিরিক্ত পরিচালক সঞ্জয় কুমার দত্ত ও ঝালকাঠি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মেহেদী হাসান। সভাপতিত্ব করেন সোনালী ব্যাংক পিএলসি’র ঝালকাঠি কোর্ট বিল্ডিং শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. আবদুল মান্নান। এছাড়াও কর্মশালায় ঝালকাঠি সদর উপজেলার বিভিন্ন ব্যাংকের ব্যবস্থাপক, শাখা প্রধান ও ক্যাশ বিভাগের কর্মকর্তারা অংশ নেন। পাশাপাশি ব্যবসায়ী, জেলে, কৃষক, শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় বাংলাদেশ ব্যাংক বরিশাল শাখার যুগ্ম পরিচালক মো. জাহিদুল ইসলাম জালনোট শনাক্তের বিভিন্ন কৌশল এবং আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য নিয়ে স্লাইড প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন। এ সময় নোটের বিভিন্ন নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে সহজে জালনোট শনাক্ত করার পদ্ধতি সম্পর্কে অংশগ্রহণকারীদের ধারণা দেওয়া হয়।
আলোচনায় জালনোট শনাক্ত করার উপায়, আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য এবং জালনোট গ্রহণ ও প্রচলন থেকে বিরত থাকার বিষয়ে বিস্তারিত সচেতন করা হয়। সন্দেহজনক নোট লেনদেনের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার পাশাপাশি প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক কর্তৃপক্ষ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানানো হয়।
আয়োজকরা বলেন, জালনোটের বিস্তার রোধে সাধারণ মানুষের সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সচেতনভাবে নোট যাচাই করে লেনদেন করা হলে জালনোটের প্রচলন অনেকাংশে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।