হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “এই স্বাস্থ্য উপদেষ্টা, যিনি কিছুই জানেন না স্বাস্থ্যব্যবস্থা কিংবা চিকিৎসা সেবা বিষয়ে, তার একমাত্র যোগ্যতা হলো তিনি গ্রামীণ ব্যাংকে ছিলেন এবং ড. ইউনূসের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তি।
তিনি যে বেতন গ্রহণ করেন তা জনগণের টাকার অপচয় এবং জনগণের সঙ্গে বেঈমানি।”
স্বাস্থ্য উপদেষ্টার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে তিনি আরো বলেন, “তিনি নিজের চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর যান, অথচ দেশের জনগণ স্বাস্থ্য সেবার জন্য উপযুক্ত ব্যবস্থা পায় না। তার কাছে কোনো অ্যাক্টিভিটি দেখতে পাওয়া যায় না। তাই তাকে অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত।”
এছাড়াও তিনি সরকারের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ তুলে বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে দুর্নীতি বেড়ে গেছে। তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশের আকাশে বিমান দুর্ঘটনা ও ভবন ধসে পড়ার ঘটনা সরকার কীভাবে অবহেলা করেছে এবং তা তদন্তের দাবি করেন।
হাসনাত আরো বলেন, “আমরা চাই না আর কোনো নতুন লুটপাটের শাসন দেখতে। দলের নেতা-কর্মীরা একযোগে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।”
এনসিপির অন্যান্য নেতারাও এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেন, দলীয় সরকারের বিরুদ্ধে তাদের অবস্থান দৃঢ় থাকবে। তারা বিশেষত ২০০৫ সালের জুলাই মাসে ঘটে যাওয়া হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়ার দাবি তুলে ধরেন।