টুঙ্গিপাড়া উপজেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের প্রস্তুতিসহ সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে এস এম জিলানীর সংবাদ সম্মেলন

দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় উপজেলা ও পৌর বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামী ৩০ জুন এই ঐতিহাসিক সম্মেলন উপলক্ষে প্রস্তুতি ইতোমধ্যেই চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে। সম্মেলনকে কেন্দ্র করে গত রোববার (২৯ জুন) দুপুর ১২টায় টুঙ্গিপাড়া বাস টার্মিনালের দোতলায় সংবাদ সম্মেলন করেন কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী। তিনি সম্মেলনের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানান।
সংবাদ সম্মেলনে এস এম জিলানী বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর টুঙ্গিপাড়ায় মানুষের বাকস্বাধীনতা সীমাবদ্ধ ছিল। ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন সাধারণ মানুষ। সেই কারণেই রাজনৈতিক কার্যক্রম এখানে বাধাগ্রস্ত ছিল। আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার থেকে মানুষকে বঞ্চিত করা হয়েছে, যা আমাদের জন্য এক বিশাল দুঃখের বিষয়।”
তিনি আরও বলেন, “গত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বড় পরিবর্তন এসেছে। বিএনপি একটি নির্বাচনমুখী গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দল। এই ধারাবাহিকতা রক্ষা ও জনমত পুনরুদ্ধারে টুঙ্গিপাড়ায় দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”
৩০ জুনের সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন বিএনপি’র ভাইস-চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সেলিমুজ্জামান সেলিম, খন্দকার মাশুকুর রহমানসহ কেন্দ্রীয় অন্যান্য নেতা ও স্থানীয় শীর্ষ নেতারা।
এস এম জিলানী সবাইকে সম্মেলন সফল করতে সর্বাত্মক সহযোগিতার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, “এই সম্মেলন শুধু একটি রাজনৈতিক সমাবেশ নয়, এটি আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রতীক।”
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন আবুল খায়ের, শেখ সালাউদ্দীন আহম্মেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরুজ্জামান বাবু, পৌর বিএনপির সভাপতি এমদাদুল হক মোল্লা, মো. নাসির উদ্দিন, সামচুল হক, শেখ জিল্লাল হোসেন, যুবদলের সভাপতি মোক্তার হোসেন, ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক রহিম সহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপির দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে এই দ্বিবার্ষিক সম্মেলন এলাকার রাজনৈতিক জীবনে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে।