বগুড়ার শেরপুরে নিজ কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে আব্দুল খালেক নামে এক ব্যক্তিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার অর্থ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তাকে আরও দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। আদালত জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী কিশোরীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে বগুড়ার শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক ও জেলা ও দায়রা জজ মারুফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল খালেক বগুড়ার শেরপুর উপজেলার দ্বারকীপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, নিজ কিশোরী মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আব্দুল খালেকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। মামলাটি আদালতে ওঠার পর দীর্ঘ শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাদীপক্ষের সাক্ষ্য, নথিপত্র ও অন্যান্য প্রমাণ পর্যালোচনা করে আদালত অভিযোগের সত্যতা পান।
পরে মামলার বিচারিক কার্যক্রম শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আব্দুল খালেককে মৃত্যুদণ্ড দেন। পাশাপাশি তাকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। নির্ধারিত জরিমানার অর্থ দিতে ব্যর্থ হলে তাকে অতিরিক্ত দুই বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
আদালত আরও নির্দেশ দিয়েছেন, আদায়কৃত জরিমানার অর্থ ভুক্তভোগী কিশোরীকে ক্ষতিপূরণ হিসেবে প্রদান করতে হবে।