পাইকগাছায় পুশবিরোধী অভিযান, দুই চিংড়ি ব্যবসায়ীকে ১৭ হাজার টাকা জরিমানা

খুলনার পাইকগাছায় চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ প্রতিরোধ ও মৎস্যপণ্যের গুণগত মান নিশ্চিত করতে অভিযান চালিয়েছে উপজেলা মৎস্য দপ্তর। অভিযানে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চিংড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের অপরাধে দুই ব্যবসায়ীকে মোট ১৭ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। একই সঙ্গে প্রায় ২৫ কেজি চিংড়ি বিনষ্ট করা হয়।
বুধবার (১২ আগস্ট) উপজেলার চিংড়ি বিপণন কেন্দ্রে মৎস্য ও মৎস্যপণ্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ আইনের আওতায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক। এ সময় মৎস্য পরিদর্শন ও মান নিয়ন্ত্রণ কার্যালয়, খুলনার পরিদর্শক মো. হাফিজুর রহমান ও মো. আমিনুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে বাংলাদেশ নৌ পুলিশ সহযোগিতা করে।
অভিযানকালে চিংড়ি ক্রয়-বিক্রয়ের বিভিন্ন স্থান পরিদর্শন করে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মৎস্যপণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রির বিষয়টি নজরে আসে। এ সময় সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে চিংড়ি সংরক্ষণ ও বিপণনের বিষয়ে সতর্ক করা হয়। পাশাপাশি অনিয়মের দায়ে দুই ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
মৎস্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে, অভিযানে জব্দ করা আনুমানিক ২৫ কেজি চিংড়ি পরবর্তীতে বিনষ্ট করা হয়। জনস্বাস্থ্য ও মৎস্যপণ্যের মান বিবেচনায় অনুপযোগী চিংড়ি যাতে বাজারজাত করা না হয়, সে জন্য এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সৈকত মল্লিক বলেন, মৎস্যপণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা এবং চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। চিংড়ি ব্যবসায়ীদের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশে মৎস্যপণ্য সংরক্ষণ ও বিক্রির জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। চিংড়িতে অপদ্রব্য পুশ কিংবা অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মৎস্যপণ্য বিক্রির প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, চিংড়ির গুণগত মান রক্ষা এবং নিরাপদ মৎস্যপণ্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।