প্রেমের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করায় ভাবিকে গলা কেটে হত্যা: দেবরের মৃত্যুদণ্ড

নেত্রকোনার পূর্বধলায় ভাবিকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় চাচাতো দেবর মো. রাসেল মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন জেলা দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে তাঁকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে আসামি রাসেল মিয়ার উপস্থিতিতে জেলা দায়রা জজ মো. হাফিজুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মো. আবুল হাসেম।
‎‎দণ্ডপ্রাপ্ত রাসেল মিয়া পূর্বধলা উপজেলার পশ্চিমপাড়া গ্রামের মো. আলাল উদ্দিনের ছেলে। নিহত লিপি আক্তার ছিলেন একই গ্রামের পঞ্চগড় ব্যাটালিয়নের ১৮ বিজিবির ল্যান্স নায়েক মো. আজিজুল ইসলামের স্ত্রী।
‎‎মামলার বিবরণে জানা যায়, লিপি আক্তারের স্বামী কর্মসূত্রে বাড়ির বাইরে থাকতেন। এ সুযোগে তাঁর চাচাতো দেবর রাসেল মিয়া তাকে প্রেমের প্রস্তাবসহ নানা কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। লিপি আক্তার সেসব প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়ে ২০২০ সালের ৩ অক্টোবর রাত আড়াইটার দিকে ঘরে ঢুকে এন্টি কাটার দিয়ে গলার শ্বাসনালি কেটে তাকে হত্যা করেন রাসেল মিয়া।
‎পরে নিহতের বড় বোন ফেরদৌসী বেগম বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
‎‎পিপি মো. আবুল হাসেম জানান, মামলাটিতে ১৫ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়। একইসঙ্গে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন আসামি রাসেল মিয়া। বিচারক তাকে দোষী সাব্যস্ত করে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেন।