প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ২৮, ২০২৬, ৩:৫১ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুলাই ১০, ২০২৫, ৭:০৩ এ.এম
গোপালগঞ্জে স্কুল ছাত্রের গোপনঙ্গে আঘাত ও চাকু দিয় কাটার হুমকি – ২ স্কুল শিক্ষিকার বিরুদ্ধে

মো: শিহাব উদ্দিন, গোপালগঞ্জ।। গোপালগঞ্জে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রকে আটকে রেখে গোপনাঙ্গে আঘাত করা এবং চাকু দিয়ে কাটার ভয় দেখানোর অভিযোগ উঠেছে দুই সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ঘটনাটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে সাংবাদিকদের নজরে আসে। এরপর বিষয়টি নিয়ে সরব হয় স্থানীয় প্রশাসন। ভুক্তভোগী ছাত্র তাওসিয়াদের মা সুমি বেগম অভিযোগ করেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা সুমাইয়া বিনতে হায়দার ও সাবরিনা খানম তার ছেলেকে শারীরিক নির্যাতন করেন এবং চাকু দিয়ে গোপনাঙ্গ কেটে দেওয়ার ভয় দেখান।
ঘটনার পর ২৬ মে ২০২৫ তারিখে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগ পেয়ে ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে তদন্তের নির্দেশ দেন উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে। এরপর ২৭ মে ২০২৫ তারিখে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা পলাশ সরদার ঘটনাস্থলে যান এবং শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে কথা বলে অভিযোগের সত্যতা পান। তিনি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।
পরবর্তীতে ২৩ জুন ২০২৫ তারিখে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোছা: জ্যোৎস্না খাতুন "সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপীল) বিধিমালা, ২০১৮" এর ৩(খ) ধারায় অসদাচরণের অভিযোগ এনে দুই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা রুজু করেন। তাদেরকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাঠানো হয়, যেখানে ১০ কর্মদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়। এছাড়া, ব্যক্তিগত শুনানিতে অংশগ্রহণ করতে ইচ্ছুক কিনা, তাও লিখিত জবাবে উল্লেখ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।
চিঠিতে স্পষ্ট উল্লেখ করা হয়, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব না দিলে একতরফাভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ সংক্রান্ত অনুলিপি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিভাগীয় উপ-পরিচালক (ঢাকা বিভাগ) এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে পাঠানো হয়েছে।
জেলা শিক্ষা অফিসার জানান, অভিযুক্ত দুই শিক্ষিকা ইতোমধ্যে লিখিত জবাব দিয়েছেন। তবে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও অভিযুক্ত শিক্ষিকা সুমাইয়া হায়দার ও সাবরিনা খানমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এদিকে, শহরের বিভিন্ন মহল থেকে এই সংবাদের ব্যাপারে ‘প্রকাশ না করার’ অনুরোধও এসেছে বলে জানা গেছে।
এই ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : সেলিমা শিরীণ খান
সম্পাদক : এ.এস.এম. জিয়া উদ্দিন খান
নির্বহিী সম্পাদক : ফেরদ্দৌসী খান লিয়া
সহকারী সম্পাদক : আবুল ফাত্তাহ সজু
বার্তা সম্পাদক :
সম্পাদক কর্তৃক - ২৩৩ , শফি মন্জিল , মডেল স্কুল রোড, গোপালগঞ্জ থেকে প্রকাশিত।
Copyright © 2025 Daily Shirin