শামছুর রহমান ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পাইকগাছা-কয়রায় এক লাখ বৃক্ষ রোপন কর্মসূচি উদ্বোধন

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন ও বৈশ্বিক উষ্ণতা বাড়ছে। নদীভাঙনসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। এ অবস্থায় পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় খুলনার পাইকগাছা ও কয়রা উপজেলায় শুরু হয়েছে এক লাখ বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি।
শামছুর রহমান ফাউন্ডেশন-এর উদ্যোগে এই বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় কয়রা উপজেলায় ৭০ হাজার এবং পাইকগাছায় ৩০ হাজার বিভিন্ন প্রজাতির গাছের চারা রোপণ করা হবে। শুধু গাছ লাগানো নয়, এর পাশাপাশি জনগণের মধ্যে পরিবেশ সচেতনতা বাড়াতে বিশেষ কর্মসূচিও গ্রহণ করা হয়েছে।
গত রবিবার (৬ জুলাই) দুপুরে পাইকগাছা পৌরসভার আল-আমীন ট্রাস্ট প্রাঙ্গণে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শামছুর রহমান ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মেসবাহুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জামায়াতে ইসলামীর উপজেলা আমীর মাওলানা সাইদুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ইকবাল হোসেন।
পৌর নায়েবে আমীর মুহাদ্দিস আব্দুল্লাহ আল মামুনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন খুলনা জেলা নায়েবে আমীর মাওলানা গোলাম সরোয়ার, জেলা কর্মপরিষদ সদস্য মাওলানা আমিনুল ইসলাম, কয়রা উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট মুস্তাফিজুর রহমান, কাজী তামজিদ আলম, প্রফেসর আঃ মমিন সানা, সাবেক উপজেলা আমীর মঈনউদ্দীন আহমদ, উপজেলা সেক্রেটারি মোঃ আলতাফ হোসেন, উপজেলা এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মাওলানা আব্দুল খালেক, সাংবাদিক ও কলামিস্ট হাসানুজ্জামান, জেলা শিবিরের সাবেক সভাপতি অ্যাডভোকেট রুহুল আমিন, শামছুর রহমান ফাউন্ডেশনের উপজেলা সভাপতি তামিম রায়হান ও সেক্রেটারি আল-মামুন।
এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন কয়রা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সাধারণ সম্পাদক শামছুর রহমান, আনিসুর রহমান, রুহুল কুদ্দুস, উপজেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি মাওলানা নুরে আলম সিদ্দিকী, আক্তারুজ্জামান খোকন, ডা. শফিকুর রহমান, মাওলানা আব্দুল হালিম, মোঃ সেলিম গাজী, শিবিরের থানা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আসাদ আল হাফিজসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা জামায়াতে ইসলামীর বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
অনুষ্ঠান শেষে উপজেলা জুড়ে তিন হাজার গাছের চারা রোপণ করে কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
অনেকেই মনে করছেন, এমন পরিবেশবান্ধব উদ্যোগ স্থানীয় পর্যায়ে পরিবেশ রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে নদীভাঙন রোধ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে এই উদ্যোগ কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।