প্রিন্ট এর তারিখঃ অগাস্ট ৩০, ২০২৫, ১২:৪৫ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ২৪, ২০২৫, ১:২৫ পি.এম
মসজিদের বরাদ্দের টাকাতেও ঘুষ দাবি! সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ

ইটনায় সরকারি প্রকল্পের অর্থ ছাড়ে ঘুষ ছাড়া মিলছে না চেক—মসজিদের টাকাও বাদ যাচ্ছে না!
কিশোরগঞ্জের ইটনা উপজেলায় সরকারি বরাদ্দের অর্থ ছাড় করতে গিয়ে ঘুষ দিতে বাধ্য হচ্ছেন প্রকল্পভুক্তরা—এমন অভিযোগ বহুদিনের। এবার অভিযোগ উঠেছে, মসজিদের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থ থেকেও ঘুষ আদায় করেছেন প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের দুই কর্মকর্তা।
অভিযোগের তীর ইটনা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসের অফিস সহকারী মাসুম শেখ এবং সাব-ইঞ্জিনিয়ার আজিজুল হক আজিজ-এর বিরুদ্ধে।
উপজেলার মৃগা ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর জামে মসজিদ কমিটির সভাপতি রহমত আলী জানান,
"মসজিদের উন্নয়নের জন্য ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। প্রথম দফায় ৬০ হাজার টাকার চেক ছাড়ের সময় ১৫ হাজার টাকা ঘুষ চাওয়া হয়। এরপরও আমরা টাকা দিয়ে চেক নিই, কারণ মসজিদের উন্নয়ন থেমে থাকবে বলে ভয় ছিল। এখন দ্বিতীয় দফার চেক ছাড় করতে গেলেও বলা হয়েছে, আগে ঘুষ না দিলে চেক মিলবে না। কোনো কারণও জানানো হয়নি।"
অভিযোগ জানতে চাইলে অফিস সহকারী মাসুম শেখ ও সাব-ইঞ্জিনিয়ার আজিজ দায় স্বীকার না করে বিষয়টি ঘুরিয়ে বলেন—
"স্যারের অনুমতিতে কিছু টাকা নেওয়া হয়।"
তবে তারা কেউই ক্যামেরার সামনে কথা বলতে রাজি হননি।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. জাবেদ পাঠান জানান,
"মাস্টাররোল খরচ হিসেবে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা নেওয়া হতে পারে। কিন্তু ১৫ হাজার টাকা নেওয়া কেন—তা খোঁজ নিয়ে জানাব।"
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ রায়হানুল ইসলাম বলেন,
"প্রকল্প কর্মকর্তার একজন আত্মীয়ের মৃত্যুতে তিনি ছুটিতে আছেন। তবে আমি অভিযোগের বিষয়টি খোঁজ নিচ্ছি।"
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : সেলিমা শিরীণ খান
সম্পাদক : এ.এস.এম. জিয়া উদ্দিন খান
নির্বহিী সম্পাদক : ফেরদ্দৌসী খান লিয়া
সহকারী সম্পাদক : আবুল ফাত্তাহ সজু
বার্তা সম্পাদক :
সম্পাদক কর্তৃক - ২৩৩ , শফি মন্জিল , মডেল স্কুল রোড, গোপালগঞ্জ থেকে প্রকাশিত।
Copyright © 2025 Daily Shirin