শার্শায় উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্তকরণ

যশোরের শার্শায় টেকসই মৎস্যসম্পদ বৃদ্ধি ও স্থানীয় মৎস্যজীবীদের আর্থিক উন্নয়নে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনামাছ অবমুক্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) দুপুর ২টায় উপজেলার ফুলস্বর বাওড়ে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে শার্শা উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তর।
এই কার্যক্রমটি সম্পন্ন হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত “ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রজেক্ট”–এর আওতায়, মৎস্য অধিদপ্তরের তত্ত্বাবধানে। এসময় মোট ৮৯০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির পোনামাছ জলাশয়ে অবমুক্ত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ মনিরুল মামুন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা, বেনাপোল কোয়ারেন্টাইন অফিসার সজিব সাহা, ক্লাইমেট স্মার্ট এগ্রিকালচার অ্যান্ড ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের প্রতিনিধি শাহিনুর রহমান, সারসা বার্তা পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আব্দুস সালাম গফফার, সহ-প্রধান সম্পাদক ফিরোজ মেহেদী, বার্তা সম্পাদক সোহেল রানা, স্টাফ রিপোর্টার জাকির হোসেন, ফুলস্বর বাওর মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি আনিছুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আলী, সহ-সম্পাদক আবদুল খালেক, সদস্য মিলন হোসেন, লুৎফর রহমান ও গিয়াস উদ্দিনসহ স্থানীয় মৎস্যজীবী ও বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।
পোনামাছ অবমুক্তকরণ শেষে কর্মকর্তারা বলেন, সরকারের এ উদ্যোগ দেশের উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের প্রজনন বাড়াবে এবং মৎস্যজীবীদের আয়ের সুযোগ বৃদ্ধি করবে। পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় এ প্রকল্প পরিবেশবান্ধব টেকসই মৎস্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।
স্থানীয় মৎস্যজীবীরা জানান, নিয়মিত এ ধরনের উদ্যোগ নিলে জলাশয়ের মাছের সংখ্যা বাড়বে, ফলে বাজারে মাছের সরবরাহও বৃদ্ধি পাবে এবং সাধারণ মানুষ স্বল্প দামে তাজা মাছ পাবে।
সরকারের এই প্রকল্পের লক্ষ্যদেশের জলাশয়গুলোর উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং গ্রামীণ অর্থনীতিতে মৎস্য খাতের অবদান আরও শক্তিশালী করা।