প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ২৭, ২০২৬, ১১:৪৬ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৫, ৫:৪৮ এ.এম
খালি হাঁড়ি হাতে শিশু, আকাশজুড়ে বোমা—গাজার ভয়াবহ দিনরাত

বোমা-গোলায় কেঁপে উঠল গাজা সিটি। রাতভর হামলায় নিহত হলেন অন্তত ১৮ জন, যাদের মধ্যে রয়েছে নিষ্পাপ সাত শিশু।
গাজা সিটিতে আবারও রক্তে ভেসে গেল রাত। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ইসরায়েলি বাহিনীর টানা বিমান হামলায় প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮ জন ফিলিস্তিনি। নিহতদের মধ্যে সাতটি শিশু। হাসপাতালের বারান্দায় ছোট ছোট সাদা কাপড়ে মোড়া নিথর দেহ দেখে স্তব্ধ হয়ে আছে স্বজনরা।
মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে গোটা গাজাজুড়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৫-এ। এর মধ্যে ৪৪ জনই প্রাণ দিয়েছেন গাজা সিটিতে। ধ্বংসস্তূপে এখনো নিখোঁজ অনেক মানুষ—কারও আর্তচিৎকার ভেসে আসছে ভাঙা কংক্রিটের ফাঁক দিয়ে।
আল জাজিরা জানিয়েছে, বাস্তুচ্যুতদের একটি তাবুতে ইসরায়েলি হেলিকপ্টার হামলায় প্রাণ গেছে চারজনের। আল-থালাথিনি সড়কের একটি অ্যাপার্টমেন্টে মারা গেছেন আরও দুইজন। শিশু, নারী, বৃদ্ধ—কেউ রেহাই পাননি। শহরের শিফা হাসপাতালের পাশের আশ্রয়কেন্দ্রেও আঘাত হেনেছে বোমা।
মানবিক বিপর্যয় এখন চরমে। ক্ষুধার্ত শিশুদের হাতে খালি হাঁড়ি, চোখে আতঙ্ক আর কান্না। শরণার্থী শিবিরে খাবারের জন্য লম্বা সারি, কিন্তু অবরোধের কারণে পৌঁছাতে পারছে না পর্যাপ্ত ত্রাণ। হাসপাতালগুলোতে জায়গা নেই, রক্ত আর ব্যথায় ভরে গেছে করিডর।
অন্যদিকে, পশ্চিম তীরের হেবরনেও ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকারীদের হামলায় আহত হয়েছেন অন্তত তিনজন ফিলিস্তিনি। আন্তর্জাতিক সংস্থা ডক্টরস উইদাউট বর্ডারস সতর্ক করে বলেছে—এভাবে উচ্ছেদ আর হামলা চলতে থাকলে ফিলিস্তিনিরা জাতিগত নির্মূলের ঝুঁকিতে পড়বেন।
ইসরায়েলি সেনারা জানিয়েছে, তাদের অভিযান আরও তীব্র হবে। কিন্তু এই অভিযানের লক্ষ্য হয়ে প্রতিদিনই ঝরে যাচ্ছে শত শত নিরীহ প্রাণ। বিশ্ব তাকিয়ে আছে, অথচ গাজার শিশুরা একে একে হারিয়ে যাচ্ছে।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : সেলিমা শিরীণ খান
সম্পাদক : এ.এস.এম. জিয়া উদ্দিন খান
নির্বহিী সম্পাদক : ফেরদ্দৌসী খান লিয়া
সহকারী সম্পাদক : আবুল ফাত্তাহ সজু
বার্তা সম্পাদক :
সম্পাদক কর্তৃক - ২৩৩ , শফি মন্জিল , মডেল স্কুল রোড, গোপালগঞ্জ থেকে প্রকাশিত।
Copyright © 2025 Daily Shirin