আজ সকাল ৮ ঘটিকার সময় ক্রোক এলাকায় বালুর জাহাজ থেকে তাকে গ্রেফতার করেন বরগুনা সদর থানার এসআই সাখাওয়াত হোসেন।
মামলা সূত্রে জানা যায়, আসামী মোঃ মারুফ (২০), গৌরিচন্না ইউনিয়নে খাজুরতলা আশ্রায়নের মো. হেলাল এর ছেলে।
ঘটনার পর ভিকটিমের মা বাদী হয়ে বরগুনা সদর থানায় মামলাটা দায়ের করেন। মামলার বিবরণে বলা হয় গত ১৭.০৭.২০২৫ ইং তারিখ বৃহস্পতিবার রাত ১০ ঘটিকার সময় ৭ নং ঢলুয়া ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বান্দরগাছিয়া গ্রামে ভিকটিমের ভাবির সহযোগিতায় ঘরে ঢুকে মারুফ জোর পূর্বক তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনার সময় মেয়ে বাসায় একা ছিলো, তার চিল্লাচিল্লি শুনে মেয়ের বাবা দৌড়ে বাসায় আসলে আসামী পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসী ধরে ফেলে। পরে আসামী পক্ষের লোকজন কৌশলে তাকে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।
মামলায় আরো উল্লেখ করেন, ধর্ষক মারুফ সম্পর্কে আমার ভাশুরজির ছেলে, তিনি বিভিন্ন সময় স্কুলে যাওয়া আসার পথে আমার মেয়েকে কু প্রস্তাব দিয়ে আসছিলো, আমার মেয়ে রাজি না হওয়ায় তার ভাবির সহায়তায় আমার নাবালক মেয়েকে ভয়ভীতি দেখিয়ে রাজি করায় এবং ঘটনার রাতে মেয়েকে বাসায় একা পেয়ে ধর্ষণ করে।
বরগুনা সদর থানার অফিসার ইন চার্জ মো. ইয়াকুব হোসাইন বলেন, গত ০৪.০৮.২৫ তারিখ ভিকটিমের মা তার মেয়ে ধর্ষনের শিকার হয়েছে বলে মামলার আবেদন করেন, আমি মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহারভুক্ত করে এসআই জিনাত রেহানাকে দ্বায়িত্ব দেই, তিনি আজকে আসামি মারুফকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে।