প্রিন্ট এর তারিখঃ জানুয়ারী ২৬, ২০২৬, ৪:৩০ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১০, ২০২৫, ১১:২০ এ.এম
বিপদ রহমত নাকি আজাব—হাদিস ও ইসলামী দৃষ্টিতে চেনার উপায়

ইসলামে বলা হয়েছে, বিপদ কখনো হয় রহমত, কখনো আজাব। নেককারদের জন্য বিপদ হয় পরীক্ষা, আর পাপাচারীদের জন্য হতে পারে শাস্তি।
মানুষের জীবনে সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদ সবই আসে আল্লাহর হুকুমে। ইসলামী দৃষ্টিতে, এসব বিপদ কখনো হয় আল্লাহর রহমতের অংশ, আবার কখনো হয় গুনাহের কারণে তাঁর শাস্তি বা আজাব। তবে বিপদ আসলেই কীভাবে বুঝবেন এটি রহমত নাকি আজাব—সে বিষয়ে হাদিস ও আলেমদের ব্যাখ্যায় স্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে।
নেককারদের জন্য বিপদ—পরীক্ষা ও রহমত
যদি কেউ আল্লাহভীরু, নামাজী এবং সৎকর্মশীল হন, তাঁর জীবনে কোনো বিপদ এলে তা সাধারণত মর্যাদা বৃদ্ধির পরীক্ষা হিসেবে ধরা হয়। রাসুল (সা.) বলেছেন, “যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন, তাকে পরীক্ষা করেন।” (তিরমিজি) এই পরীক্ষায় ধৈর্য ধারণ করলে আল্লাহ গুনাহ মাফ করেন এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করেন।
পাপাচারীদের জন্য বিপদ—সতর্কবার্তা বা আজাব
যদি কেউ গুনাহে লিপ্ত থাকে, আল্লাহর সীমা লঙ্ঘন করে, নামাজ ত্যাগ করে এবং হারাম উপার্জনে লিপ্ত হয়, তার জীবনে হঠাৎ বিপদ আসা হতে পারে সতর্কবার্তা বা আজাব। এসময় যদি সে তাওবা করে, বিপদ রহমতে রূপ নেয়; আর যদি অবহেলা করে, সেটি ধ্বংসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
আচরণে প্রকাশ পায় রহমত নাকি আজাব
বিপদের সময় যদি কেউ তাওবা, ইস্তিগফার, ধৈর্য এবং আল্লাহর দিকে ফিরে আসে—এটি রহমতের আলামত। বিপরীতে, হতাশ হওয়া, আল্লাহকে দোষারোপ করা বা গুনাহে জড়িয়ে পড়া আজাবের ইঙ্গিত।
ইসলামের শিক্ষা হলো, বিপদ আসলে আত্মসমালোচনা করা, তাওবা করা এবং আল্লাহর রহমত প্রার্থনা করা। এতে বিপদও হয়ে উঠতে পারে নিয়ামত।
সম্পাদক মন্ডলীর সভাপতি : সেলিমা শিরীণ খান
সম্পাদক : এ.এস.এম. জিয়া উদ্দিন খান
নির্বহিী সম্পাদক : ফেরদ্দৌসী খান লিয়া
সহকারী সম্পাদক : আবুল ফাত্তাহ সজু
বার্তা সম্পাদক :
সম্পাদক কর্তৃক - ২৩৩ , শফি মন্জিল , মডেল স্কুল রোড, গোপালগঞ্জ থেকে প্রকাশিত।
Copyright © 2025 Daily Shirin